লোভে পাপ ,পাপে মৃত্যু।

in r2cornell •  last month 

হ্যালো বন্ধুরা,

আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন। আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমিও ভাল আছি। আজ অমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব লোভ মানুষকে ধ্বংস করে এ বিষয়টি নিয়ে। আশা করি আমার লেখা টি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন বন্ধুরা আমার আর্টিকেলটা পড়া যাক।

প্রত্যেকটি মানুষের জীবনের চাহিদা আছে। কিন্তু সেই চাহিদা যদি অতিমাত্রায় থাকে এবং এটির লোভের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাহলে এটি অনেক ক্ষতিকর আমাদের জীবনের জন্য। লোভ সাংঘাতিক একটি বস্তু। লোভের জন্য মানুষ নানারকম জঘন্যতম কাজ করে থাকে। আমরা আমাদের সমাজের দিকে দেখলে লক্ষ্য করলে বুঝতে পারি যে যখন মানুষের মধ্যে লোভ-লালসা কাজ করে তখন সে আর সাধারন কোন মানুষের লক্ষণ তার মধ্যে দেখা যায় না কারণ সে সব সময় কোনো কিছু পাওয়ার আকাঙ্খায় নিজেকে বিভোর হিসেবে গণ্য করে থাকে।

man-g6222c1895_1280.png

কারণ লোভী ব্যক্তিরা এরা নিজের স্বার্থকে হাসিল করার জন্য যেকোনো রকম কাজ করতে পারে সেটি চুরি-ডাকাতি এমনকি মানুষকে হত্যা করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করতে এরা পিছুপা হয়না কারণ লোভী ব্যক্তিরাই শুধু নিজেদের স্বার্থের কথা ভাবে এরা কখনো অন্যের স্বার্থের কথা ভাবেনা এরা নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য যেকোনো কিছু করতে পারে।

আমাদের চারপাশে এমন মানুষের অভাব নাই। লোভ আপনাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিবে। তাই আমাদের কখনো কাম্য নয় বেশি বেশি লোভ করা অল্প পাওয়াতে সবসময় সন্তুষ্টি লাভের মধ্যে জীবনের সুখ নিহিত আছে যে অল্পতে নিজেকে সুখী ভাবি সেই প্রকৃত সুখী কারণ আপনার চাহিদা কখনো পূরণ হওয়ার নয় কারণ একটা চাহিদা পূরণ হলে আরেকটা সাঈদ আপনার সামনে এসে হাজির হবে তাই চাহিদা কখনো শেষ হয় না।তাই আমরা নিজেদের চাহিদা কে নিয়ন্ত্রণ করবো এবং অল্পতে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করব তাহলে জীবনে সুখের দেখা পাবো।

লোভ এমন একটা ভয়ঙ্কর ব্যাধি যেটি আপনার একবার অন্তরে প্রবেশ করলে আপনাকে সবসময় বেশি পাওয়ার তাড়নাই নিজেকে ব্যস্ত রাখবে এবং সবসময় আপনার মনে একটি অশান্তি কাজ করতে থাকবে কিভাবে বেশি পাওয়া যায় কারণ আপনার ভিতর লোগ্ন হিংসার একটি বহিঃপ্রকাশ। কারণ লোভ আপনাকে ধ্বংস করে দিবে।নবীর ফলেই মানুষ নানা রকম পাপ কাজে লিপ্ত হয় নানা রকম চুরি বদমাইশি ডাকাতি রাহাজানি এমনকি মানুষকে হত্যা করতেও দ্বিধাবোধ করে না কারণ যে লোভী সে সব সময় কিছু পেতে চায় সবসময় নিজেকে সুখী করতে চাই এর পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কখনো শেষ হয় না এসব সময় নিজে বেশি বেশি পাওয়ার জন্য অন্যের ক্ষতি করতে সামান্য পরিমাণও দ্বিধাবোধ করবে না।

এমন ব্যক্তির সাথে আমাদের কখনো বন্ধুত্ব করা উচিত নয় কারণ লোভী ব্যক্তিরা এরা নিজের স্বার্থের জন্য অন্যকে বিপদে ফেলে দেয়।এরা সবসময় নিজের কথাই চিন্তা করে সমাজের উপকারী এরা কোন কাজ করে থাকে না এরা স্বার্থন্বেষী শুধু নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় লোভী ব্যক্তিদের মনের আশা কখনো পূরণ হয়না কারন এরা কখনো এদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে না এরা যেটা পাই এর চেয়ে আরো বেশি কিছু পাওয়ার জন্য সব সময় উদগ্রীব হয়ে থাকে এবং অন্যের ভালো এরা কখনো সহ্য করতে পারে না অন্যের ভালো দেখে এদের গায়ের ভিতর জ্বালা শুরু হয় এরা সব সময় অন্যের ক্ষতি কিভাবে করতে হবে সেই চিন্তায় সচেষ্ট থাকে।

এমন লোভী ব্যক্তিরা সমাজের কীট পতঙ্গের মত এদের থেকে নিজেদেরকে সবসময় দূরে রাখতে হবে এরা যে কোনো সুযোগ পেলেই আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করতে দ্বিধাবোধ করবে না তাই লোভী ব্যক্তির নাম হল সমাজের সবচেয়ে জঘন্যতম ব্যক্তি এদেরকে সমাজে কেউই কখনো পছন্দ করে না কেউই ভালবাসে না এরা শুধু নিজের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় এদের জীবনে।

তাই আপনার মনের মধ্যে যদি একবার লোভ বা হিংসা এগুলো যদি প্রবেশ করে থাকে তাহলে আপনি তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যাবেন আর লোভী ব্যক্তিকে সৃষ্টিকর্তাও ভালোবাসে না কারণ লোভে পাপ পাপে মৃত্যু' কারণ আপনার যত লোভ হবে আপনি তত পাপ কাজের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবেন আর পাপ কখনো আপনাকে ছেড়ে দিবে না পাপের ফল আপনাকে অবশ্যই ভোগ করতে হবে তাই আমাদেরকে অতিমাত্রায় লক করা কখনই উচিত নয় আমরা অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকব তাহলে আমাদের জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারব এবং জীবনে সুখের প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারব।

যার আকাঙ্ক্ষা যত কম তার চাহিদা অনেক কম তারাই জীবনের প্রকৃত সুখী কিন্তু লবি ব্যক্তিরা জীবনে কখনো সুখ অর্জন করতে পারে না এদের সম্পদ থাকলেও এরা এদের সম্পদে কখনো এরা তুষ্টি নয় এরা আরো বেশি সম্পদ কিভাবে আত্মসাৎ করবে বা ভোগ করবে সেই ঘরে বিভোর থাকে।

তো বন্ধুরা বেশি বেশি লোভ করা আমাদের কারোর উচিত নয় কারণ বেশি লোক করলে আপনি কখনো সুখের দেখা পাবেন না সব সময় বেশি বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আপনাকে তাড়িয়ে বেড়াবে মৃত্যু পর্যন্ত তাই নিজেকে সুখী করতে হলে কখনো বেশি লোভ করা উচিত নয়।

বন্ধুরা এ রকম লোভী ব্যক্তিদের থেকে আমরা নিজেদেরকে সবসময় দূরে রাখবো কারণ এরা মিষ্টভাষী হলেও এরা অনেক বেশি আমাদের জন্য হুমকিস্বরূপ এদের থেকে নিজেদেরকে সবসময় আলাদা করে রাখবো এরা সমাজে ঘৃণিত ব্যক্তি হিসেবে সমাজে পরিচিত লাভ করে কারণ এদের দ্বারা সমাজের কোন সামান্য পরিমাণে উপকার সাধন হয় না এরা সমাজের বিপদে কখনো মানুষের বিপদে এগিয়ে আসে না এরা শুধু নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করতে থাকে।এমন জীবন আমাদের কারোরই কাম্য নয় যে মৃত্যুর পরে মানুষ আমাদেরকে তাচ্ছিল্য করবে আমাদের নামে বদনাম করবে গালাগালি দেবে এগুলো আসলে কারোর এই জীবনে কাম্য নয়।

আজ এ পর্যন্তই সকলে ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন এই প্রত্যাশা রইল সকলের প্রতি আমার ব্লগে আপনাদের কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আল্লাহ হাফেজ।

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE BLURT!
Sort Order:  


** Your post has been upvoted (26.57 %) **

Thank you 🙂 @tomoyan
https://blurtblock.herokuapp.com/blurt/upvote